Saturday , June 12 2021

বাসর রাতে এক নারীর বিভীষিকাময় মিলনের অভিজ্ঞতা

চাদরটা সাদা ‘হতেই পারে, প্রথাটা কিন্তু নিকষ কালো! আর তাই ভা’রতের মহারাস্ট্রের নারীদের জন্য তাদের বিয়ের দিনের রাতটি হয়ে পড়ে বি’ভীষিকা’ময়। আর নিজের এমনই এক অ’ভিজ্ঞ’তার কথা শেয়ার ক’রলেন ছ’দ্মনামধা’রী এক তরুণী এলমিরা।

তিনি জানান, বিয়ের পর আমা’র স্বামী যখন পোষাক খু’লতে শু’রু ক’রেন তখন আমি ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম। আমি বার বার নিজেকে বোঝানোর চে’ষ্টা ক’রছি’লাম যে এখন আমা’র বিয়ে হয়ে গেছে। তাই আমা’র স’ঙ্গে এ গু’লো হওয়াই স্বা’ভা’বিক। কিন্তু কিছুতেই নিজেকে বুঝাতে পা’রছি’লাম।

এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ ক’রে দোভাষী হিসেবে কা’জ শু’রু ক’রেছে’ন। আর তার স্বামীকে বেছে নিয়েছিলেন তার বাবা-মা।

এলমিরা সেই বিয়েতে সম্মতিও জানিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তার মাকে খুশি ক’রতে। এলমিরা বলেন, ওই লোকটি ছিল আ মা’দের প্রতিবেশী, আম’রা একেবারে আলাদা মানুষ ছিলাম সে শিক্ষিত ছিল না, আ মা’দের মধ্যে কোন কিছুতেই কোন মিল ছিল না।

আমা’র ভাই, আমাকে তার স’ঙ্গে পরিচয় ক’রিয়ে দিয়েছিল এবং তারা আমাকে বলেছিল সে একজন ভাল লোক। প্রতিবেশীকে বিয়ে ক’রছি দেখে, মা খুব খুশি ছি’লেন। কারণ আমি তার কাছাকাছি থা’কতে পা’রবো, সে আমা’র খোঁজ খবর নি’তে পা’রবে।

বাড়িতে বিয়ের প্রস’ঙ্গ উঠতেই এলমিরা তার মাকে অনেকভাবে বো’ঝানো’র চে’ষ্টা ক’রেছেন যে তিনি এখনই বিয়ে ক’রতে চাননা। এলমিরার মা এই বি’ষয়টি আ’ত্মীয় স্বজনদের জানিয়ে দিলে তারা এলমিরাকে চা’প দিতে থা’কেন। অনেকেই স’ন্দে’হ ক’রছি’লেন যে এলমিরা হয়তো কুমা’রী নন।

কিন্তু সত্যিটা বিয়েতে ভ’য় ছিলো এলমিরার। বিয়ের প্রথম রাতেই প্রথমবার যৌ’’নমি’লন ক’রেছি’লেন তার স্বামী। আর সেটিও তার অ’সম্ম’তিক্র’মে। তার স্বামী এলমিরার অনুভূ’তি এবং আ’ত্ম-সম্মা’নবো’ধকে বিন্দুমাত্র প’রোয়া ক’রেন না।

এলমিরার কথায়, তিনি শুধু আমা’র উপর হা’মলে প’ড়েন, যখন আমা’র মা’থা আলমা’রির স’ঙ্গে ধাক্কা লাগতে থাকে, তখনই শু’নি দরজায় টোকা প’ড়ছে আর পাশের ঘর থেকে নারী কণ্ঠ ভেসে আসছে, আ’স্তে, চু’পচা’প থা’কো। আমি একইস’ঙ্গে য’ন্ত্র’ণায় কা’তরা’চ্ছি’লাম আবার বিব্রত বোধ ক’রছি’লা’ম। ভাবছিলাম, বিয়ে মানে কি এ গু’লোই? বি’ষয়টা কি জ’ঘ’ন্য!

আ’সলে দরজার পি’ছনে ছি’লেন এলমিরার মা, দুই ফুফু/খালা, তার শা’শু’ড়ি, এবং আরেকজন দূ’রব’র্তী আ’ত্মীয় (যিনি দরজায় টোকা দিয়ে চেঁ’চিয়ে’ছি’লেন)।

স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী বিয়ের রাতে বর কনের ঘরের বা’ইরে দুই পরিবারের সদস্যদের বা’ধ্যতা’মূ’লকভা’বে উপস্থিত থা’কতে হয়। আর এ কা’রণ হলো নববধূর কুমা’রীত্ব প্র’মাণ ক’রা।

এছাড়া বাসর ঘরের বিছানার চাদর থা’কতে হবে সাদা। আর সেখানে র’ক্ত থাকলেই বুঝতে হবে নববধূ কুমা’রী। এরপরে তাদের বরের পরিবার থেকে বধূর স’ম্মান’না দেয়া শু’রু হয়।

তবে বেশ কয়েকদিন আগেই বি’ষয়টি নিয়ে ট’নক ন’ড়ে উঠে মহারাষ্ট্র সরকারের। তারা জানায়, কোনো মহিলা কুমা’রী কিনা জা’নতে চা’ওয়া এবং তার জন্য প’রীক্ষার ব্য’বস্থা করা তাকে যৌ’’ন হে’নস্থা ক’রার সামিল।

আর এখন থেকে রাজ্য বি’ষয়টিকে অ’প’রাধ বলেই ধ’রা হবে। হবু স্ত্রী’য়ের পাশাপাশি সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী’য়ের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম একইভাবে কা’র্যক’র হবে।